আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে জয়ী হয়ে ডানপন্থীরা সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণের ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করছে। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থী জোট পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।
মারিন লে পেন-এর উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল র্যালি (আরএন) ৭ জুলাই দ্বিতীয় রাউন্ডের পর জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে কি না, তা পরিষ্কার না। ক্ষমতায় যাবার জন্য তাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
জুন মাসের ৬-৯ তারিখের ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরএন-এর হাতে ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থী জোটের ভরাডুবি হলে, ম্যাক্রোঁ হুট করে জাতীয় নির্বাচন ডেকে সবাইকে, এমনকি কিছু ঘনিষ্ঠ মিত্রদেরও হতবাক করে দেন।
কিন্তু তার সিদ্ধান্ত, যেটা অনেকে বাজীধরার সাথে তুলনা করেছেন, এখন উল্টা ফল দিতে যাচ্ছে।
ম্যাক্রোঁর জোট এখন পার্লামেন্টে আগের চেয়ে ছোট আকার ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁর ক্ষমতার মেয়াদের শেষ তিন বছর অনেকটা খর্ব হয়ে যাবে।
ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় পোলিং সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী, আরএন পেয়েছে ৩৪.৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট অ্যালায়েন্স ২৮.৫ থেকে ২৯.১ শতাংশ। আর ম্যাক্রোর জোট ২০.৫ থেকে ২১.৫ শতাংশ।
জরিপ সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, আরএন ৫৭৭ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডের পর তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২৮৯ আসন পাবে কি না, তা পরিষ্কার না।



