ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা নারীদের অসম্মান করে, যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে- তারা কখনো দেশপ্রেমিক কিংবা জনদরদি হতে পারে না। এ শক্তি মূলত দেশের অগ্রযাত্রার অন্তরায়।
সোমবার দুপুরে খুলনার খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বেলা ১২টা ২৫ মিনিটে তারেক রহমান জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হলে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা কাজী আবু রহীম। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন।
তারেক রহমান বলেন, শুধু কথার ফুলঝুরি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন। দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে হবে। একটি শ্রেণিকে বাদ দিয়ে কখনোই দেশ পুনর্গঠন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি, যার মধ্যে অন্তত ১০ কোটি নারী। এই বিশাল নারীসমাজকে পেছনে রেখে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনাই সফল হতে পারে না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে স্কুল থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন, যাতে তারা শিক্ষিত হয়ে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে।
নির্বাচন সামনে রেখে একটি রাজনৈতিক দলের নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে নারীর নেতৃত্বে বিশ্বাস করে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। তাদের এক নেতা কর্মজীবী মা-বোনদের উদ্দেশে এমন কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা বলতেও লজ্জা লাগে। এটি শুধু নারীদের নয়, পুরো জাতির জন্যই কলঙ্ক।



