ফিচার ডেস্ক : বৈশাখের শুরুতেই তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রখর রোদ, অতিরিক্ত গরম আর আর্দ্রতার কারণে হিটস্ট্রোক, সানবার্ন ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই গ্রীষ্মে সুস্থ থাকতে প্রয়োজন কিছু সচেতনতা ও সঠিক জীবনযাপন।
অতিরিক্ত মসলা শরীরে অভ্যন্তরীণ তাপ বাড়িয়ে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই গরমে কম মসলা ও কম তেলযুক্ত খাবার খাওয়াই ভালো
পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করুন
গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। তাই পানিশূন্যতা এড়াতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পাশাপাশি ডাবের পানি, ফলের রস কিংবা লবণ-চিনিযুক্ত পানীয় শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে, কারণ গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া, টাইফয়েড, কলেরা বা হেপাটাইটিস এ ও ই-এর মতো পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
খাদ্যাভ্যাসে সতর্ক থাকুন
গরমে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াই উত্তম। মৌসুমি ফল, সবজি, সালাদ, দই ও স্প্রাউটস শরীরকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে। অতিরিক্ত ভারী বা তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার কমান
শীতকালে ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার যতটা উপভোগ্য, গরমে তা শরীরের জন্য ততটাই ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত মসলা শরীরে অভ্যন্তরীণ তাপ বাড়িয়ে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই গরমে কম মসলা ও কম তেলযুক্ত খাবার খাওয়াই ভালো।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
গ্রীষ্মের দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর দিন শরীরকে দ্রুত অবসন্ন করে তোলে। তাই প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি। রাতে হালকা খাবার খেলে হজম ভালো হয় এবং ঘুমও হয় আরামদায়ক। নিয়মিত বিশ্রাম শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করে।
সূর্যের তাপ থেকে সুরক্ষা নিন
গরমে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ত্বকের ধরন অনুযায়ী এসপিএফ ৩০, ৪০ বা ৫০ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সানবার্ন ও ত্বকের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। পাশাপাশি ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস ব্যবহার করাও উপকারী।



