বাংলাগেজেট রিপোর্ট : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারে।
’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা আয়োজন করে বিএনিপ। আগের রাত থেকে অনুষ্ঠান স্থল সারাদেশ থেকে আগত লাখ লাখ নেতাকর্মীতে ভড়ে যায়। ৩০০ ফিটসহ এলাকায় তিল ধারনের ঠাই ছিল না। এয়ারপোর্ট থেকে অনুষ্ঠানস্থলে যেতে প্রায় দু ঘন্টা সময় লেগে যায়।
বক্তব্যের শুরুতে দেশবাসীর প্রতি সালাম জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে ৯০-এর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গিয়ে এ দেশের জনগণ এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ফিরিয়ে এনেছিল। কিন্তু তার পরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি, একাত্তরের মতো ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দল-মত-নির্বিশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
১৮ মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে। আজ সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার।
এ দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এ দেশে সমতলের মানুষ আছে। এ দেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই, সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারে।’



