স্পোর্টস ডেস্ক : শেষ ওভারে ৬, ৪, ৪, ৬, ৪, ৬ হাঁকিয়ে অবিশ্বাস্য ম্যাচ জেতালেন সোহান। এই জয়ের মধ্য দিয়ে অপ্রতিরোধ রংপুর টানা ৫ ম্যাচ জিতে অপরাজিত থাকলো। অন্যদিকে গত বারের চ্যাম্পিয়ন বরিশাল টানা চতুর্থ ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে চলে গেল।
শেষ ৬ বলে ২৬ রানের প্রয়োজন ছিল রংপুর রাইডার্সের। হাতে ছিল ৩ উইকেট। সেই কঠিন সমীকরণ অবিশ্বাস্যভাবে মিলিয়ে দিলেন নুরুল হাসান সোহান। কাইল মায়ার্সের করা শেষ ওভারে ৬, ৪, ৪, ৬, ৪, ৬ নিয়ে রংপুরকে এক জয় এনে দিলেন সোহান।
শুরু থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ৩ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় এনে দিলেন রংপুরের অধিনায়ক। শেষ বলে ৬ হাঁকানোর পর উদযাপনটাও ছিল দেখার মতো। ম্যাচ শেষে নায়ককে ধরতে মাঠে নেমে পড়েন ডাগআউটে থাকা খেলোয়াড়রা। কে আগে ম্যাচের নায়ককে স্পর্শ করবেন সেই প্রতিযোগিতায় নামেন তারা।
আজকের খেলায় প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রানের বড় টার্গেট দেয় বরিশাল। কিন্তু শেষ ১২ বলে ৩৯ রান প্রয়োজন ছিল রংপুর রাইডার্সের। হাতে ছিল ৬ উইকেট। জাহানদাদ খানের প্রথম দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে রাখেন খুশদিল শাহ।
কিন্তু ফিরতি বলে আউট হওয়ায় সেই সম্ভাবনা মিইয়ে যায়। এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে বরিশালকে প্রায় জয় এনে দিয়েছিলেন পাকিস্তানি পেসার। তবে শেষ ওভারে বরিশালের মুখ থেকে জয়টা যেন ছিনিয়ে নিলেন সোহান।
সিলেটে ১৯৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রংপুর। দলীয় ৪ রানের সময় এবারের বিপিএলে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা অ্যালেক্স হেলস।
২১৮ রানে নিয়ে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন মাত্র ১ রানে। তবে আরেক ওপেনার তৌফিক খান তুষার দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসানের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি শুরুর ধাক্কা সামলান।
মাঠে বেশিক্ষণ দলের হাল ধরতে পারেননি তারা। ৩৮ রান করা তৌফিকের বিপরীতে ২২১ রানে টুর্নামেন্টের শীর্ষ রানসংগ্রাহক সাইফ আউট হন ২২ রানে। এতে দলীয় ৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানো রংপুরের জন্য জয় পাওয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
কঠিন কাজটা পরে সহজ করেন দুই পাকিস্তানি ব্যাটার ইফতিখার আহমেদ ও খুশদিল শাহ। চতুর্থ উইকেটে ৯১ রানের জুটি গড়ে। তবে শেষে গিয়ে সমীকরণ মেলাতে পারেননি তারা। ১৮তম ওভারে বল করতে এসে মাত্র ৩ রান দিয়ে ইফতিখারকে আউট করেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ৩ ছয় ও চারে ৪৮ রানে আউট হন পাকিস্তানের ব্যাটার।



