spot_img
Friday, May 1, 2026
Homeজাতীয়সারাদেশসিলেটে উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লন্ডভন্ড জনজীবন

সিলেটে উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লন্ডভন্ড জনজীবন

ডেস্ক রিপোর্ট : টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটের সব নদ-নদীর পানি বাড়া অব্যাহত রয়েছে। কয়েক দিন ধরে পানি বাড়তে থাকলেও গতকাল পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দি পাঁচটি উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি।

জেলা প্রশাসন বলছে, বন্যার্তদের জন্য ৪৭০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোয় ত্রাণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। জেলার এর মধ্যে পাঁচটি উপজেলার অবস্থা ভয়াবহ। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭ উপজেলায় বন্যা কবলিত হয়েছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন। তাদরে মধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে ওঠেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পানিবন্দি ও আশ্রয় কেন্দ্রে ওঠা লোকজনের সংখ্যা বেড়েছে। ঘূর্ণিঝড় রিমেলের প্রভাবে ভারতের মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ী এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ফলে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে বন্যা দেখা দেয় সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ।

সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, লোভা, ধলাই ও পিয়াইন নদীর বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে পড়ে ওই পাঁচ উপজেলর বিস্তৃণ জনপদ প্লাবিত হয়।

জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিলেটের ৭উপজেলার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন বন্যা কবলিত হয়েছেন। এর মধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩ ইউনিয়নের ৯৩ হাজার জন, কানাইঘাট উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৮০ হাজার ৬০০ জন, জৈন্তাপুরের ৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার জন, জকিগঞ্জের ৮ ইউনিয়নের ৩৯ হাজার ৮৫২ জন, বিয়ানীবাজারের ৫ ইউনিয়নের ৫ হাজার ৫০০ জন ও গোলাপগঞ্জের ১ ইউনিয়নের ৩৫০০ জন পানিবন্দি হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৭টি বন্যা কবলিত হলেও সবকটি উপজেলায় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় মোট ৫৪৭টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে জেলা প্রশাসন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments