স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনের কাউন্সিলর মনোনয়ন প্রক্রিয়া ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন সভাপতি পদপ্রার্থী ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। আজ রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন নয় বরং “সিলেকশন” চলছে।
তামিম অভিযোগ করেন, “আমি এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি নিরপেক্ষ একটি প্রক্রিয়ার প্রত্যাশায়। কিন্তু কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়ে যা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সভাপতির পক্ষ থেকে এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে পক্ষপাতমূলক আচরণ করা হচ্ছে।
তামিম বলেন, “নির্বাচন কমিশন গঠনের পর যেকোনো সিদ্ধান্ত কমিশনের মাধ্যমেই হওয়ার কথা। অথচ ১৭ সেপ্টেম্বর পরিচালকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মনোনয়ন জমার সময়সীমা একতরফাভাবে বাড়ানো হয়, পরে আবারও সময় বাড়ানো হয় ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত—এটা পরিচালকদের মতামত ছাড়াই হয়েছে।”
তামিমের অভিযোগ, এবার হঠাৎ করে বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে সেখান থেকেই কাউন্সিলর মনোনয়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা বিসিবির গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
“যাকে খুশি অ্যাডহক কমিটিতে ঢোকানো হচ্ছে, আবার বাদও দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত পক্ষপাত। আমি ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়ার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা,” বলেন তামিম।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্রাদার্স ইউনিয়নের কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেন, “বিসিবি নির্বাচনে সরকারের হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। এভাবে কোনো শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। যদি বাড়াবাড়ি চলতে থাকে, প্রয়োজনে বিসিবি ঘেরাও করা হবে।



