আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের ভোট গ্রহণ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । এ ভোটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে হাউজ অব কমন্সের ৬৫০ আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন ইংল্যান্ড, ওয়েলশ, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের ভোটাররা। বেশিসংখ্যক আসন পাওয়া দল আগামী পাঁচ বছরের জন্য সরকার গঠন করবে। বিজয়ী দলের প্রধান নির্বাচিত হবেন দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বরাবরের মতো এবারো ব্রিটিশ নির্বাচনে মূল প্রতিযোগিতা হবে ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল বা কনজারভেটিভ পার্টি ও লেবার পার্টির মধ্যে। সেক্ষেত্রে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারের মধ্যে কোনো একজন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। এছাড়া স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি), লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টি (লিব ডেম), রিফর্ম ইউকে পার্টি ও গ্রিন পার্টির মতো দলগুলোর জন্য এবারের নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা কম হলেও বড় ধরনের প্রভাবক হয়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশটির ছোট দলগুলোর পক্ষে বড় দুই দলকে টপকে ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে লিব ডেম, রিফর্ম ইউকে ও গ্রিন পার্টি বরাবরের মতো এবারো ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বেশকিছু আসনে ভাগ বসাতে পারে।
পর্যবেক্ষকের ভাষ্যমতে, প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের কনজারভেটিভ পার্টি এবারের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার জোর আশঙ্কা আছে। সেক্ষেত্রে টানা ১৪ বছর প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির কাছে ক্ষমতা হারাতে যাচ্ছে রক্ষণশীলরা। দীর্ঘ সময় টানা ক্ষমতায় থাকলেও এ সময় রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের কেউই খুব বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। এ ১৪ বছরে রক্ষণশীল দলের নেতা পরিবর্তন হওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বদল হয়েছে পাঁচবার।



