ডেস্ক রিপোর্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের রয়েছে বর্ণ্যাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। মহান মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য সাহসিকতার জন্য তিনি রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পদবি বীর বিক্রমে ভূষিত হন। ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও অধিনায়ক। ১৯৬৪ সাল থেকে পর পর তিনবার পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানব ছিলেন। তার বাবা ডাক্তার আজহার উদ্দিন ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালে দুই বার পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। সেনাবাহিনী থেকে অবসরে এসে বাবার পথ অনুসরণ করে রাজনীতিতে এসে তিনি মানুষের মন কেড়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরুর সময় এ কথা স্পিকার নিজেই জানান ।
সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।
মেজর হাফিজ বলেন, ‘স্পিকার জাতীয় সংসদের একটি নিরপেক্ষ আসন। নিজেকে নিরপেক্ষ রাখতে আমি ইতোমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আজ থেকে আপনারা কোনো দলের নন, আপনারা এই মহান জাতীয় সংসদের অভিভাবক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে সংসদকে অধিকার লঙ্ঘনকারীদের ক্লাবে পরিণত করা হয়েছিল। কিন্তু আজকের এই সংসদ সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। এই প্রস্তাবের সমর্থন করে বিরোধী দলও। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন।



