ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রামে নিহত অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের জানাজায় অংশ নিতে উপস্থিত হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইনজীবী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জানাজার আগে আইনজীবী নেতারা বক্তব্য দিয়ে সাইফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
এরপর নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ ছিলেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার বাসিন্দা। ২০১৮ সালে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন এবং পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চলাকালে সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় চট্টগ্রামের আইনজীবীরা বুধবার আদালত বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে নেমে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী তাদের আটক করেছে।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা ঘটনার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশীয় ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভসহ (ককটেল) আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রামের ৭৪টি আদালতের কার্যক্রম। তবে সকাল থেকে আইনজীবীরা আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।



