বাংলাগেজেট রিপোর্ট : সরকারের পদক্ষেপের পরেও কোরবানীর পশুর চামড়ার দরপতনে হতাশ ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়ার এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি হওয়ায় হতাশ ও ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম কুমিল্লা সিলেট মৌলভীবাজার রাজশাহী খুলনায় চামড়ার দরপতন ঘটেছে। সরকার নির্ধারিত দামে কোথাও চামড়া বিক্রি হয়নি। চট্টগ্রামে বিক্রি করতে না পেরে বাজারে চামড়া ফেলে দিয়েছে খুচড়া বেপারীরা।
কোরবানির ঈদকে ঘিরে প্রতিবছর দেশের চামড়ার বাজারে বড় ধরনের আশা-ভরসা তৈরি হয়। কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও রফতানির মাধ্যমে অর্থনৈতিকচক্রে একযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠেন কাঁচামাল সংগ্রাহক, আড়তদার, ট্যানারি মালিক এবং চামড়াজাত পণ্যের রফতানিকারকরা।
চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবার রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬০-৬৫ টাকা, কিন্তু বাজারে বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা। বেশিরভাগ ব্যবসায়ীই জানিয়েছেন, তারা চামড়া বিক্রি করেছেন ৫৫-৬০ টাকা বা তারও কম দামে। অনেকে কাঁচা চামড়ার ক্ষেত্রে এই দরের নিচে বিক্রিতেও বাধ্য হয়েছেন। ছোট শহর মফস্বল এলাকায় দাম ছিল আরও কম।
চট্টগ্রাম নগরীর আড়তে প্রায় দুই লাখ পিস চামড়া আসলেও দাম কম থাকায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আড়তদাররা জানিয়েছেন, গরু-মহিষের চামড়া ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা হয়েছে, যা নির্ধারিত দরের তুলনায় অনেক কম। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রতি পিস চামড়ায় প্রায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়েছেন।



