আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সকারের পতনের পর দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ উল্লাস করলেও বাস্তবে আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে। সোমবার থেকে দেশটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাশার আল-আসাদ সরকারের নাটকীয় পতনের পর জেরুজালেম শত্রুপক্ষের হাতে পড়তে পারে এমন অস্ত্রকে লক্ষ্য করে সোমবার সিরিয়ায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার সিরিয়ার দুটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অন্তত তিনটি প্রধান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ঘাঁটিগুলোতে সিরিয়িার কয়েক ডজন হেলিকপ্টার এবং জেট বিমান ধ্বংস হয়েছে।
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কামিশলি বিমানঘাঁটি, হোমসের গ্রামাঞ্চলে শিনশার ঘাঁটি এবং রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে আকরবা বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র মজুদকেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা এবং রাসায়নিক অস্ত্রের সাইটগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এসব এলাকায় সরকারের সামরিক বাহিনীর বিমান, হেলিকপ্টার এবং ট্যাঙ্ক ছিল।
টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, সিরিয়ার সামরিক অবস্থানকে নিশানা করে ২৫০টির মতো হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ জানিয়েছে, সিরিয়ার সামরিক অবস্থানকে নিশানা করে প্রায় ৩০০ হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েল এ হামলা অব্যাহত রাখলে কয়েক দিনের মধ্যে সিরিয়ার বিমান বাহিনী ধ্বংস হয়ে যাবে। বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ভবিষ্যতের কোনো সরকার যাতে ইসরায়েলকে আকাশপথে হুমকি দিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে এ হামলা চালানো হয়েছে।



