ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের গজলডোবা বাঁধ খুলে দেয়ায় উজানের ঢলে রংপুরের গংগাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে করে বসতবাড়ি, আমন ধান এবং মৌসুমি ফসল তলিয়ে গেছে। বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, মধ্যরাতে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে পরিস্থিতি বিপজ্জনক রয়ে গেছে। সকাল ৬টা থেকে সেখানে পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার এবং সকাল ৯টায় ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে।
পানির এই বৃদ্ধিতে কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ও বালাপাড়া ইউনিয়নের হায়বদ খাঁ চর, গদাই, তালুক শাহবাজ এবং গংগাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউনিয়নের ইছলি, কোলকোন্দ, বিনবিনা, গজঘণ্টার ছালাপাক চর এলাকায় প্লাবিত হয়েছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল জানিয়েছেন, বন্যা মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার, চাল ও ডাল পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
তিনি জানান, তিস্তা ফ্ল্যাশ ফ্লাড নদী। তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি কমতে শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।



